AyatGo

জালিমদের গর্ব টুইন টাঅয়ার ধ্বংসের ইঙ্গিত কুরআনে

Sura: 9, Ayat: 109

জালিমদের গর্ব টুইন টাঅয়ার ধ্বংসের ইঙ্গিত কুরআনে কোরআন হল সর্বশ্রেষ্ঠ মুজিজা এবং এটা সর্বকালেরজন্যই মুজিজা । তার একটা প্রমাণ দেখা যাক কোরআনের ৯ নম্বর সূরার ১০৯ ও ১১০ নম্বরআয়াতে আল্লাহ বলছেন ১০৯. তবে কি সেই লোক উত্তম যে স্বীয় গৃহেরভিত্তি আল্লাহ ভীতির উপর এবং তারসন্তুষ্টি বিধানের উপর স্থাপন করেছে, নাকি ওইলোক উত্তম যে তার গৃহের ভিত্তি স্থাপন করেছে একগর্তের পতনোন্মুখকিনারায়,ফলে সে গৃহতাকে নিয়ে জাহান্নামেরঅগ্নিতে পরিণত হয় ? আল্লাহ জালিম সম্প্রদায়কে পথ দেখাননা ১১০.তাদের "ইমারত" যা তারা নির্মাণকরেছে তাদেরঅন্তরে সর্বদা খটকা সৃষ্টি করতে থাকবে যে পর্যন্তনা তাদেরঅন্তর ফেটে চৌচির হয়ে যায়,আল্লাহহলেন সর্বজ্ঞ, হিকমতওয়ালা ।এখন এই আয়াতদুটিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণকরা যাক ১.আয়াতদুটিরঅবস্থান কোরআনের ৯ নম্বরসূরারমধ্যেযা ইংরেজি নবম মাসঅর্থাৎসেপ্টেম্বরকে ইঙ্গিত করে ২.আয়াত দুটি রয়েছে কোরআনের ১১তম পারারমধ্যে যা ১১তারিখকে ইঙ্গিত করে ! ৩.এই সূরার ১মআয়াত থেকে গুনলে ১০৯ নম্বরআয়াতপর্যন্ত মোট ২০০১ টি শব্দপাওয়া যায় যা ২০০১সালকে নির্দেশকরে ! ৪.আয়াত দুটি হল "গৃহ" বা "ইমারত"সম্পর্কিত ! ৫.আয়াত দুটিতে "গৃহ"বা "ইমারত"ধ্বংসেরকথা বলা হয়েছে ! ৬.এই "গৃহ"বা "ইমারত" কিভাবে ধ্বংসহবে তা কাব্যিকভাষায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে এক প্রচ্ছন্নইঙ্গিত এরমাধ্যমে বোঝানো হয়েছে । কোরআনের ভাষায়, "সে গৃহতাকে নিয়ে জাহান্নামেরঅগ্নিতে পরিণত হয়" (টুইন টাওয়ারধ্বংসের সময়কিন্তু আগুনের বিশালস্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়েছিল) !!৭.এখানে "ইমারত" শব্দটি উল্লেখআছে ১১০ নম্বরআয়াতে (তাদের"ইমারত" যা তারা নির্মাণকরেছে),এবং আমরা জানি World TradeCenter টি ১১০তলা ছিল !! ৮.আরওআশ্চর্যের বিষয় হল ১০৯ নম্বর আয়াতেরশেষদিকে আল্লাহ বলেছেন যে,"আল্লাহ জালিম সম্প্রদায়কে হেদায়েত দেন না",এখানে আল্লাহ একসম্প্রদায়ের ইমারতধ্বংসের কথা বলছেনযারা জালেম!!কি কিছু বোঝা যাচ্ছে এরা কারা? ৯.আরেকটি বিষয় হল ১১০নম্বর আয়াতটি ভালভাবে লক্ষ করলে বোঝা যায় আল্লাহ এখানে কাব্যিক ভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন (টুইনটাওয়ার ধ্বংস হওয়ার ঘটনাটি) তাদের অন্তরে "খটকা" বা "আতঙ্ক"বা "ভীতির"সৃষ্টি করতে থাকবে তত দিন পর্যন্ত যত দিন পর্যন্ত না তাদের অন্তরবা "হৃদয়" বা "হৃৎপিণ্ড"ফেটে চৌচির হয়ে যায় (মানে যতদিনপর্যন্তনা তারা মারা যায়)!! অর্থাৎ আমেরিকান দেরমনে এই ঘটনাটি সর্বদা এক ধরনেরআতঙ্কেরসৃষ্টি করছে এবং এই আতঙ্কতাদের মৃত্যুর আগ পর্যন্তথাকবে !!এখনপ্রশ্ন হলও>> ১.এই আয়াত দুটির অবস্থানকেন ৯ নম্বর সূরাতেইহবে? অন্য কোনসুরায় হল না কেন?২.আয়াত দুটিরঅবস্থান কেনইবা ১১ নম্বরপারাতেইহবে?এই বিষয় দুটি কি ৯/১১কে নির্দেশ করে না ?৩.আচ্ছা যদি মেনে নেই যে ৯এবং ১১কাকতালীয়ভাবে মিলে গেছে কিন্তুআয়াতদুটি কেনইবা "ইমারত" ধ্বংসপ্রসঙ্গেইআলোচনা করবে? অন্য কোনপ্রসঙ্গ হল না কেন? ৪.আরেকটি বিষয় হলএই সূরার ১ম আয়াতথেকে গুনলে ১০৯নম্বর আয়াত পর্যন্ত কেনইবা ২০০১টি শব্দপাওয়া যাবে? অন্য কোনসংখ্যা কেন হল না?এত কিছু জিনিসকি করে কাকতালীয়ভাবে মিলে যায়?কারন কাকতালেরওএকটা সীমা থাকে । কিন্তু মহাবিশ্বয়েরএই কোরআন যে সেইসীমাটুকুকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে !

Source: সংগৃহীত

Tags: টুইন টাওয়ার, নিদর্শন, ভবিষ্যত বাণী

জালিমদের গর্ব টুইন টাঅয়ার ধ্বংসের ইঙ্গিত কুরআনে

Sura: 9, Ayat: 110

জালিমদের গর্ব টুইন টাঅয়ার ধ্বংসের ইঙ্গিত কুরআনে কোরআন হল সর্বশ্রেষ্ঠ মুজিজা এবং এটা সর্বকালেরজন্যই মুজিজা । তার একটা প্রমাণ দেখা যাক কোরআনের ৯ নম্বর সূরার ১০৯ ও ১১০ নম্বরআয়াতে আল্লাহ বলছেন ১০৯. তবে কি সেই লোক উত্তম যে স্বীয় গৃহেরভিত্তি আল্লাহ ভীতির উপর এবং তারসন্তুষ্টি বিধানের উপর স্থাপন করেছে, নাকি ওইলোক উত্তম যে তার গৃহের ভিত্তি স্থাপন করেছে একগর্তের পতনোন্মুখকিনারায়,ফলে সে গৃহতাকে নিয়ে জাহান্নামেরঅগ্নিতে পরিণত হয় ? আল্লাহ জালিম সম্প্রদায়কে পথ দেখাননা ১১০.তাদের "ইমারত" যা তারা নির্মাণকরেছে তাদেরঅন্তরে সর্বদা খটকা সৃষ্টি করতে থাকবে যে পর্যন্তনা তাদেরঅন্তর ফেটে চৌচির হয়ে যায়,আল্লাহহলেন সর্বজ্ঞ, হিকমতওয়ালা ।এখন এই আয়াতদুটিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণকরা যাক ১.আয়াতদুটিরঅবস্থান কোরআনের ৯ নম্বরসূরারমধ্যেযা ইংরেজি নবম মাসঅর্থাৎসেপ্টেম্বরকে ইঙ্গিত করে ২.আয়াত দুটি রয়েছে কোরআনের ১১তম পারারমধ্যে যা ১১তারিখকে ইঙ্গিত করে ! ৩.এই সূরার ১মআয়াত থেকে গুনলে ১০৯ নম্বরআয়াতপর্যন্ত মোট ২০০১ টি শব্দপাওয়া যায় যা ২০০১সালকে নির্দেশকরে ! ৪.আয়াত দুটি হল "গৃহ" বা "ইমারত"সম্পর্কিত ! ৫.আয়াত দুটিতে "গৃহ"বা "ইমারত"ধ্বংসেরকথা বলা হয়েছে ! ৬.এই "গৃহ"বা "ইমারত" কিভাবে ধ্বংসহবে তা কাব্যিকভাষায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে এক প্রচ্ছন্নইঙ্গিত এরমাধ্যমে বোঝানো হয়েছে । কোরআনের ভাষায়, "সে গৃহতাকে নিয়ে জাহান্নামেরঅগ্নিতে পরিণত হয়" (টুইন টাওয়ারধ্বংসের সময়কিন্তু আগুনের বিশালস্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়েছিল) !!৭.এখানে "ইমারত" শব্দটি উল্লেখআছে ১১০ নম্বরআয়াতে (তাদের"ইমারত" যা তারা নির্মাণকরেছে),এবং আমরা জানি World TradeCenter টি ১১০তলা ছিল !! ৮.আরওআশ্চর্যের বিষয় হল ১০৯ নম্বর আয়াতেরশেষদিকে আল্লাহ বলেছেন যে,"আল্লাহ জালিম সম্প্রদায়কে হেদায়েত দেন না",এখানে আল্লাহ একসম্প্রদায়ের ইমারতধ্বংসের কথা বলছেনযারা জালেম!!কি কিছু বোঝা যাচ্ছে এরা কারা? ৯.আরেকটি বিষয় হল ১১০নম্বর আয়াতটি ভালভাবে লক্ষ করলে বোঝা যায় আল্লাহ এখানে কাব্যিক ভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন (টুইনটাওয়ার ধ্বংস হওয়ার ঘটনাটি) তাদের অন্তরে "খটকা" বা "আতঙ্ক"বা "ভীতির"সৃষ্টি করতে থাকবে তত দিন পর্যন্ত যত দিন পর্যন্ত না তাদের অন্তরবা "হৃদয়" বা "হৃৎপিণ্ড"ফেটে চৌচির হয়ে যায় (মানে যতদিনপর্যন্তনা তারা মারা যায়)!! অর্থাৎ আমেরিকান দেরমনে এই ঘটনাটি সর্বদা এক ধরনেরআতঙ্কেরসৃষ্টি করছে এবং এই আতঙ্কতাদের মৃত্যুর আগ পর্যন্তথাকবে !!এখনপ্রশ্ন হলও>> ১.এই আয়াত দুটির অবস্থানকেন ৯ নম্বর সূরাতেইহবে? অন্য কোনসুরায় হল না কেন?২.আয়াত দুটিরঅবস্থান কেনইবা ১১ নম্বরপারাতেইহবে?এই বিষয় দুটি কি ৯/১১কে নির্দেশ করে না ?৩.আচ্ছা যদি মেনে নেই যে ৯এবং ১১কাকতালীয়ভাবে মিলে গেছে কিন্তুআয়াতদুটি কেনইবা "ইমারত" ধ্বংসপ্রসঙ্গেইআলোচনা করবে? অন্য কোনপ্রসঙ্গ হল না কেন? ৪.আরেকটি বিষয় হলএই সূরার ১ম আয়াতথেকে গুনলে ১০৯নম্বর আয়াত পর্যন্ত কেনইবা ২০০১টি শব্দপাওয়া যাবে? অন্য কোনসংখ্যা কেন হল না?এত কিছু জিনিসকি করে কাকতালীয়ভাবে মিলে যায়?কারন কাকতালেরওএকটা সীমা থাকে । কিন্তু মহাবিশ্বয়েরএই কোরআন যে সেইসীমাটুকুকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে !

Source: সংগৃহীত

Tags: টুইন টাওয়ার, নিদর্শন, ভবিষ্যত বাণী

বিগ ব্যাং ও আল কুরআন

Sura: 41, Ayat: 11

“বিগ ব্যাং এবং আল-কোরআন”

আজ আমরা আলোচনা করবো বিগ ব্যাং তত্ত কি বলে ও আল কুরয়ানে কি বলে মহাবিশব তৈরি সম্পর্কে।
বিগ ব্যাং সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। তার পরো একটু সুংক্ষেপে জেনে নিই আসুন।

বিগ ব্যাং তত্ত টি মুলত প্রতিষ্ঠিত হাবালের প্রদত্ত প্রস্তাবের ওপর।
আসুন দেখি হাবালের তত্ত এবং বিগ ব্যাং এর মূল ধারনা,

“বিজ্ঞানী এডুইন হাবল প্রথম বলেন, দূরবর্তী ছায়াপথসমূহের বেগ সামগ্রিকভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এরা পরষ্পর দূরে সরে যাচ্ছে অর্থাৎ মহাবিশ্ব ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বের ফ্রিদমান-ল্যমেত্র্-রবার্টসন-ওয়াকার মেট্রিক অনুসারে এটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই তত্ত্বসমূহের সাহায্যে অতীত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সমগ্র মহাবিশ্ব একটি সুপ্রাচীন বিন্দু অবস্থা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। এই অবস্থায় সকল পদার্থ এবং শক্তি অতি উত্তপ্ত এবং ঘন অবস্থায় ছিল। কিন্তু এ অবস্থার আগে কী ছিল তা নিয়ে পদার্থবিজ্ঞানীদের মধ্যে কোন ঐক্যমত্য নেই। অবশ্য সাধারণ আপেক্ষিকতা এর আগের সময়ের ব্যাখ্যার জন্য মহাকর্ষীয় অদ্বৈত বিন্দু (সিংগুলারিটি) নামক একটি শব্দের প্রস্তাব করেছে। মহা বিস্ফোরণ শব্দটি স্থূল অর্থে প্রাচীনতম একটি বিন্দুর অতি শক্তিশালী বিস্ফোরণকে বোঝায় যার মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছিল, আবার অন্যদিকে এই বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও গঠন নিয়ে বিশ্বতত্ত্বে যে মতবাদের সৃষ্টি হয়েছে তাকেও বোঝায়।”
উতস্য www.wikipedia। bn.m.wikipedia.org/wiki/মহা_বিস্ফোরণ_তত্ত্ব

বিজ্ঞানি হাবালের এই প্রস্তাব থেকেই মহাবিস্ফরন ধারনাটির ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত হয়। আসুন দেখি এডুইন হাবল যে ধারনা টি ১৯২৫ সালে দেয়, সেই সম্পর্কে কুরয়ান প্রায় ১৫০০ বছর পূর্বে কি বলেছে?
আল্লাহ কুরয়ানে বলেন,

“আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই এর প্রসারন কারী।” (আল-কুরআনঃ ৫১;৪৭)

উল্লেখ্য যে ১৯২০ সালের পূর্ব পর্যন্ত বিজ্ঞানিদের ধারনা ছিলো যে মহাবিশবের আকৃতি নির্দিষ্ট। অর্থাৎ অসম্প্রসারনশীল। এখানে আল্লাহ হাবাল যে তত্ত দিয়েছে তার কথা বলেছেন। www.bn.m.wikipedia.org/wiki/এডুইন_হাবল wiki হাবালের তত্ত বিস্তারিত এর পর বিগ ব্যাং এর আর একটি গুরুত্তপূর্ন ধারনা হলো সিংগুলারিটি।

বলতে গেলে ষ্টিফেন হকিংস তার বই টিতে এই কথাটাই প্রতিষ্ঠিতি করার চেষ্টা করেছেন। যে একটি মাত্র ক্ষুদ্র বিন্দু এবং তাতে হঠাত মহাবিষ্ফরনের ফলে মহাবিশব তৈরি।

আসুন দেখি ১৯ শতকে হকিংস যে কথা বলেছেন, যেই সম্পর্ক কুরআন কি বলে… আল্লাহ বলেন,

“কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ(একত্রে) ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে আলাদা করে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?” (21;30)

এখানে আল্লাহ বলেছেন যে, আকাশ ও পৃথিবী অর্থ্যাত পুরো মহাবিশব একত্রে বন্দি ছিলো, যা তিনি আলাদা করে দিয়েছেন। এখানে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে big bang / মহাবিষ্ফরিন সংঘটিত হওয়ার মুহূর্তের কথা ইজ্ঞিত করা হয়েছে।
এছাড়াও কুরআনে বিগ ব্যাং সম্পর্কে অনেক ধাপ এবং অবস্তার কথা বলা হয়েছে,

আমরা বিশফরনের পরবর্তি অবস্তাড় কোঠা জানি, বিজ্ঞানিরা বলেন বিষ্ফরনের পরে দীর্ঘকাল মহাবিশব ধুয়া ময় অবস্থায় ছিলো। এবং পরে তা একত্রে ঘনিভূত হয়ে গ্রহ-গ্রহাণু তৈরি হয়।
এবার দেখুন কুরয়ান কি বলে এই সম্পর্কে,

“অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল, আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।” (কুরয়ান ৪১;১১)

আবার বিজ্ঞানিরা মহাবিশব সৃষ্টির সময় কে ৬ টি ভাগে ভাগ করেন।
এগুলো হলো,
1. Time Zero
2. Inflation
3. Annihilation
4. Proton and Neutron
5. Atomic Nuclei
6. Stable Atom

আর আল্লাহ কুরআনে বলেন,
“তিনি নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল সৃষ্টি করেছেন ছয়টি খন্ডিত সময়ে, অতঃপর আরশের উপর সমাসীন হয়েছেন। তিনি জানেন যা ভূমিতে প্রবেশ করে ও যা ভূমি থেকে নির্গত হয় এবং যা আকাশ থেকে বর্ষিত হয় ও যা আকাশে উত্থিত হয়। তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন।” (কুরআন ৫৭;৪)

কুরআনে বিগ ব্যাং সম্পর্কে আরো বলা হয়েছে। আজ আর নয় ইনশাল্লাহ আবার অন্য দিন দেখা হবে। আমার জন্য সবাই দুআ কইরেন। যাযাকাল্লাহ।

Source: অপঠিত দৈনিকী http://udbd.blogspot.com/2014/04/blog-post_5654.html

Tags: বিজ্ঞান, নিদর্শন, বিগব্যাং, জ্যাতির্বিদ্যা

বিগ ব্যাং ও আল কুরআন

Sura: 57, Ayat: 4

“বিগ ব্যাং এবং আল-কোরআন”

আজ আমরা আলোচনা করবো বিগ ব্যাং তত্ত কি বলে ও আল কুরয়ানে কি বলে মহাবিশব তৈরি সম্পর্কে।
বিগ ব্যাং সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। তার পরো একটু সুংক্ষেপে জেনে নিই আসুন।

বিগ ব্যাং তত্ত টি মুলত প্রতিষ্ঠিত হাবালের প্রদত্ত প্রস্তাবের ওপর।
আসুন দেখি হাবালের তত্ত এবং বিগ ব্যাং এর মূল ধারনা,

“বিজ্ঞানী এডুইন হাবল প্রথম বলেন, দূরবর্তী ছায়াপথসমূহের বেগ সামগ্রিকভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এরা পরষ্পর দূরে সরে যাচ্ছে অর্থাৎ মহাবিশ্ব ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বের ফ্রিদমান-ল্যমেত্র্-রবার্টসন-ওয়াকার মেট্রিক অনুসারে এটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই তত্ত্বসমূহের সাহায্যে অতীত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সমগ্র মহাবিশ্ব একটি সুপ্রাচীন বিন্দু অবস্থা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। এই অবস্থায় সকল পদার্থ এবং শক্তি অতি উত্তপ্ত এবং ঘন অবস্থায় ছিল। কিন্তু এ অবস্থার আগে কী ছিল তা নিয়ে পদার্থবিজ্ঞানীদের মধ্যে কোন ঐক্যমত্য নেই। অবশ্য সাধারণ আপেক্ষিকতা এর আগের সময়ের ব্যাখ্যার জন্য মহাকর্ষীয় অদ্বৈত বিন্দু (সিংগুলারিটি) নামক একটি শব্দের প্রস্তাব করেছে। মহা বিস্ফোরণ শব্দটি স্থূল অর্থে প্রাচীনতম একটি বিন্দুর অতি শক্তিশালী বিস্ফোরণকে বোঝায় যার মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছিল, আবার অন্যদিকে এই বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও গঠন নিয়ে বিশ্বতত্ত্বে যে মতবাদের সৃষ্টি হয়েছে তাকেও বোঝায়।”
উতস্য www.wikipedia। bn.m.wikipedia.org/wiki/মহা_বিস্ফোরণ_তত্ত্ব

বিজ্ঞানি হাবালের এই প্রস্তাব থেকেই মহাবিস্ফরন ধারনাটির ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত হয়। আসুন দেখি এডুইন হাবল যে ধারনা টি ১৯২৫ সালে দেয়, সেই সম্পর্কে কুরয়ান প্রায় ১৫০০ বছর পূর্বে কি বলেছে?
আল্লাহ কুরয়ানে বলেন,

“আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই এর প্রসারন কারী।” (আল-কুরআনঃ ৫১;৪৭)

উল্লেখ্য যে ১৯২০ সালের পূর্ব পর্যন্ত বিজ্ঞানিদের ধারনা ছিলো যে মহাবিশবের আকৃতি নির্দিষ্ট। অর্থাৎ অসম্প্রসারনশীল। এখানে আল্লাহ হাবাল যে তত্ত দিয়েছে তার কথা বলেছেন। www.bn.m.wikipedia.org/wiki/এডুইন_হাবল wiki হাবালের তত্ত বিস্তারিত এর পর বিগ ব্যাং এর আর একটি গুরুত্তপূর্ন ধারনা হলো সিংগুলারিটি।

বলতে গেলে ষ্টিফেন হকিংস তার বই টিতে এই কথাটাই প্রতিষ্ঠিতি করার চেষ্টা করেছেন। যে একটি মাত্র ক্ষুদ্র বিন্দু এবং তাতে হঠাত মহাবিষ্ফরনের ফলে মহাবিশব তৈরি।

আসুন দেখি ১৯ শতকে হকিংস যে কথা বলেছেন, যেই সম্পর্ক কুরআন কি বলে… আল্লাহ বলেন,

“কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ(একত্রে) ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে আলাদা করে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?” (21;30)

এখানে আল্লাহ বলেছেন যে, আকাশ ও পৃথিবী অর্থ্যাত পুরো মহাবিশব একত্রে বন্দি ছিলো, যা তিনি আলাদা করে দিয়েছেন। এখানে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে big bang / মহাবিষ্ফরিন সংঘটিত হওয়ার মুহূর্তের কথা ইজ্ঞিত করা হয়েছে।
এছাড়াও কুরআনে বিগ ব্যাং সম্পর্কে অনেক ধাপ এবং অবস্তার কথা বলা হয়েছে,

আমরা বিশফরনের পরবর্তি অবস্তাড় কোঠা জানি, বিজ্ঞানিরা বলেন বিষ্ফরনের পরে দীর্ঘকাল মহাবিশব ধুয়া ময় অবস্থায় ছিলো। এবং পরে তা একত্রে ঘনিভূত হয়ে গ্রহ-গ্রহাণু তৈরি হয়।
এবার দেখুন কুরয়ান কি বলে এই সম্পর্কে,

“অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল, আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।” (কুরয়ান ৪১;১১)

আবার বিজ্ঞানিরা মহাবিশব সৃষ্টির সময় কে ৬ টি ভাগে ভাগ করেন।
এগুলো হলো,
1. Time Zero
2. Inflation
3. Annihilation
4. Proton and Neutron
5. Atomic Nuclei
6. Stable Atom

আর আল্লাহ কুরআনে বলেন,
“তিনি নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল সৃষ্টি করেছেন ছয়টি খন্ডিত সময়ে, অতঃপর আরশের উপর সমাসীন হয়েছেন। তিনি জানেন যা ভূমিতে প্রবেশ করে ও যা ভূমি থেকে নির্গত হয় এবং যা আকাশ থেকে বর্ষিত হয় ও যা আকাশে উত্থিত হয়। তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন।” (কুরআন ৫৭;৪)

কুরআনে বিগ ব্যাং সম্পর্কে আরো বলা হয়েছে। আজ আর নয় ইনশাল্লাহ আবার অন্য দিন দেখা হবে। আমার জন্য সবাই দুআ কইরেন। যাযাকাল্লাহ।

Source: অপঠিত দৈনিকী http://udbd.blogspot.com/2014/04/blog-post_5654.html

Tags: বিজ্ঞান, নিদর্শন, বিগব্যাং, জ্যাতির্বিদ্যা

বিগ ব্যাং ও আল কুরআন

Sura: 51, Ayat: 47

“বিগ ব্যাং এবং আল-কোরআন”

আজ আমরা আলোচনা করবো বিগ ব্যাং তত্ত কি বলে ও আল কুরয়ানে কি বলে মহাবিশব তৈরি সম্পর্কে।
বিগ ব্যাং সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। তার পরো একটু সুংক্ষেপে জেনে নিই আসুন।

বিগ ব্যাং তত্ত টি মুলত প্রতিষ্ঠিত হাবালের প্রদত্ত প্রস্তাবের ওপর।
আসুন দেখি হাবালের তত্ত এবং বিগ ব্যাং এর মূল ধারনা,

“বিজ্ঞানী এডুইন হাবল প্রথম বলেন, দূরবর্তী ছায়াপথসমূহের বেগ সামগ্রিকভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এরা পরষ্পর দূরে সরে যাচ্ছে অর্থাৎ মহাবিশ্ব ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বের ফ্রিদমান-ল্যমেত্র্-রবার্টসন-ওয়াকার মেট্রিক অনুসারে এটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই তত্ত্বসমূহের সাহায্যে অতীত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সমগ্র মহাবিশ্ব একটি সুপ্রাচীন বিন্দু অবস্থা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। এই অবস্থায় সকল পদার্থ এবং শক্তি অতি উত্তপ্ত এবং ঘন অবস্থায় ছিল। কিন্তু এ অবস্থার আগে কী ছিল তা নিয়ে পদার্থবিজ্ঞানীদের মধ্যে কোন ঐক্যমত্য নেই। অবশ্য সাধারণ আপেক্ষিকতা এর আগের সময়ের ব্যাখ্যার জন্য মহাকর্ষীয় অদ্বৈত বিন্দু (সিংগুলারিটি) নামক একটি শব্দের প্রস্তাব করেছে। মহা বিস্ফোরণ শব্দটি স্থূল অর্থে প্রাচীনতম একটি বিন্দুর অতি শক্তিশালী বিস্ফোরণকে বোঝায় যার মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছিল, আবার অন্যদিকে এই বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও গঠন নিয়ে বিশ্বতত্ত্বে যে মতবাদের সৃষ্টি হয়েছে তাকেও বোঝায়।”
উতস্য www.wikipedia। bn.m.wikipedia.org/wiki/মহা_বিস্ফোরণ_তত্ত্ব

বিজ্ঞানি হাবালের এই প্রস্তাব থেকেই মহাবিস্ফরন ধারনাটির ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত হয়। আসুন দেখি এডুইন হাবল যে ধারনা টি ১৯২৫ সালে দেয়, সেই সম্পর্কে কুরয়ান প্রায় ১৫০০ বছর পূর্বে কি বলেছে?
আল্লাহ কুরয়ানে বলেন,

“আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই এর প্রসারন কারী।” (আল-কুরআনঃ ৫১;৪৭)

উল্লেখ্য যে ১৯২০ সালের পূর্ব পর্যন্ত বিজ্ঞানিদের ধারনা ছিলো যে মহাবিশবের আকৃতি নির্দিষ্ট। অর্থাৎ অসম্প্রসারনশীল। এখানে আল্লাহ হাবাল যে তত্ত দিয়েছে তার কথা বলেছেন। www.bn.m.wikipedia.org/wiki/এডুইন_হাবল wiki হাবালের তত্ত বিস্তারিত এর পর বিগ ব্যাং এর আর একটি গুরুত্তপূর্ন ধারনা হলো সিংগুলারিটি।

বলতে গেলে ষ্টিফেন হকিংস তার বই টিতে এই কথাটাই প্রতিষ্ঠিতি করার চেষ্টা করেছেন। যে একটি মাত্র ক্ষুদ্র বিন্দু এবং তাতে হঠাত মহাবিষ্ফরনের ফলে মহাবিশব তৈরি।

আসুন দেখি ১৯ শতকে হকিংস যে কথা বলেছেন, যেই সম্পর্ক কুরআন কি বলে… আল্লাহ বলেন,

“কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ(একত্রে) ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে আলাদা করে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?” (21;30)

এখানে আল্লাহ বলেছেন যে, আকাশ ও পৃথিবী অর্থ্যাত পুরো মহাবিশব একত্রে বন্দি ছিলো, যা তিনি আলাদা করে দিয়েছেন। এখানে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে big bang / মহাবিষ্ফরিন সংঘটিত হওয়ার মুহূর্তের কথা ইজ্ঞিত করা হয়েছে।
এছাড়াও কুরআনে বিগ ব্যাং সম্পর্কে অনেক ধাপ এবং অবস্তার কথা বলা হয়েছে,

আমরা বিশফরনের পরবর্তি অবস্তাড় কোঠা জানি, বিজ্ঞানিরা বলেন বিষ্ফরনের পরে দীর্ঘকাল মহাবিশব ধুয়া ময় অবস্থায় ছিলো। এবং পরে তা একত্রে ঘনিভূত হয়ে গ্রহ-গ্রহাণু তৈরি হয়।
এবার দেখুন কুরয়ান কি বলে এই সম্পর্কে,

“অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল, আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।” (কুরয়ান ৪১;১১)

আবার বিজ্ঞানিরা মহাবিশব সৃষ্টির সময় কে ৬ টি ভাগে ভাগ করেন।
এগুলো হলো,
1. Time Zero
2. Inflation
3. Annihilation
4. Proton and Neutron
5. Atomic Nuclei
6. Stable Atom

আর আল্লাহ কুরআনে বলেন,
“তিনি নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল সৃষ্টি করেছেন ছয়টি খন্ডিত সময়ে, অতঃপর আরশের উপর সমাসীন হয়েছেন। তিনি জানেন যা ভূমিতে প্রবেশ করে ও যা ভূমি থেকে নির্গত হয় এবং যা আকাশ থেকে বর্ষিত হয় ও যা আকাশে উত্থিত হয়। তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন।” (কুরআন ৫৭;৪)

কুরআনে বিগ ব্যাং সম্পর্কে আরো বলা হয়েছে। আজ আর নয় ইনশাল্লাহ আবার অন্য দিন দেখা হবে। আমার জন্য সবাই দুআ কইরেন। যাযাকাল্লাহ।

Source: অপঠিত দৈনিকী http://udbd.blogspot.com/2014/04/blog-post_5654.html

Tags: বিজ্ঞান, নিদর্শন, বিগব্যাং, জ্যাতির্বিদ্যা

বিগ ব্যাং ও আল কুরআন

Sura: 21, Ayat: 30

“বিগ ব্যাং এবং আল-কোরআন”

আজ আমরা আলোচনা করবো বিগ ব্যাং তত্ত কি বলে ও আল কুরয়ানে কি বলে মহাবিশব তৈরি সম্পর্কে।
বিগ ব্যাং সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। তার পরো একটু সুংক্ষেপে জেনে নিই আসুন।

বিগ ব্যাং তত্ত টি মুলত প্রতিষ্ঠিত হাবালের প্রদত্ত প্রস্তাবের ওপর।
আসুন দেখি হাবালের তত্ত এবং বিগ ব্যাং এর মূল ধারনা,

“বিজ্ঞানী এডুইন হাবল প্রথম বলেন, দূরবর্তী ছায়াপথসমূহের বেগ সামগ্রিকভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এরা পরষ্পর দূরে সরে যাচ্ছে অর্থাৎ মহাবিশ্ব ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বের ফ্রিদমান-ল্যমেত্র্-রবার্টসন-ওয়াকার মেট্রিক অনুসারে এটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই তত্ত্বসমূহের সাহায্যে অতীত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সমগ্র মহাবিশ্ব একটি সুপ্রাচীন বিন্দু অবস্থা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। এই অবস্থায় সকল পদার্থ এবং শক্তি অতি উত্তপ্ত এবং ঘন অবস্থায় ছিল। কিন্তু এ অবস্থার আগে কী ছিল তা নিয়ে পদার্থবিজ্ঞানীদের মধ্যে কোন ঐক্যমত্য নেই। অবশ্য সাধারণ আপেক্ষিকতা এর আগের সময়ের ব্যাখ্যার জন্য মহাকর্ষীয় অদ্বৈত বিন্দু (সিংগুলারিটি) নামক একটি শব্দের প্রস্তাব করেছে। মহা বিস্ফোরণ শব্দটি স্থূল অর্থে প্রাচীনতম একটি বিন্দুর অতি শক্তিশালী বিস্ফোরণকে বোঝায় যার মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছিল, আবার অন্যদিকে এই বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও গঠন নিয়ে বিশ্বতত্ত্বে যে মতবাদের সৃষ্টি হয়েছে তাকেও বোঝায়।”
উতস্য www.wikipedia। bn.m.wikipedia.org/wiki/মহা_বিস্ফোরণ_তত্ত্ব

বিজ্ঞানি হাবালের এই প্রস্তাব থেকেই মহাবিস্ফরন ধারনাটির ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত হয়। আসুন দেখি এডুইন হাবল যে ধারনা টি ১৯২৫ সালে দেয়, সেই সম্পর্কে কুরয়ান প্রায় ১৫০০ বছর পূর্বে কি বলেছে?
আল্লাহ কুরয়ানে বলেন,

“আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই এর প্রসারন কারী।” (আল-কুরআনঃ ৫১;৪৭)

উল্লেখ্য যে ১৯২০ সালের পূর্ব পর্যন্ত বিজ্ঞানিদের ধারনা ছিলো যে মহাবিশবের আকৃতি নির্দিষ্ট। অর্থাৎ অসম্প্রসারনশীল। এখানে আল্লাহ হাবাল যে তত্ত দিয়েছে তার কথা বলেছেন। www.bn.m.wikipedia.org/wiki/এডুইন_হাবল wiki হাবালের তত্ত বিস্তারিত এর পর বিগ ব্যাং এর আর একটি গুরুত্তপূর্ন ধারনা হলো সিংগুলারিটি।

বলতে গেলে ষ্টিফেন হকিংস তার বই টিতে এই কথাটাই প্রতিষ্ঠিতি করার চেষ্টা করেছেন। যে একটি মাত্র ক্ষুদ্র বিন্দু এবং তাতে হঠাত মহাবিষ্ফরনের ফলে মহাবিশব তৈরি।

আসুন দেখি ১৯ শতকে হকিংস যে কথা বলেছেন, যেই সম্পর্ক কুরআন কি বলে… আল্লাহ বলেন,

“কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ(একত্রে) ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে আলাদা করে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?” (21;30)

এখানে আল্লাহ বলেছেন যে, আকাশ ও পৃথিবী অর্থ্যাত পুরো মহাবিশব একত্রে বন্দি ছিলো, যা তিনি আলাদা করে দিয়েছেন। এখানে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে big bang / মহাবিষ্ফরিন সংঘটিত হওয়ার মুহূর্তের কথা ইজ্ঞিত করা হয়েছে।
এছাড়াও কুরআনে বিগ ব্যাং সম্পর্কে অনেক ধাপ এবং অবস্তার কথা বলা হয়েছে,

আমরা বিশফরনের পরবর্তি অবস্তাড় কোঠা জানি, বিজ্ঞানিরা বলেন বিষ্ফরনের পরে দীর্ঘকাল মহাবিশব ধুয়া ময় অবস্থায় ছিলো। এবং পরে তা একত্রে ঘনিভূত হয়ে গ্রহ-গ্রহাণু তৈরি হয়।
এবার দেখুন কুরয়ান কি বলে এই সম্পর্কে,

“অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল, আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।” (কুরয়ান ৪১;১১)

আবার বিজ্ঞানিরা মহাবিশব সৃষ্টির সময় কে ৬ টি ভাগে ভাগ করেন।
এগুলো হলো,
1. Time Zero
2. Inflation
3. Annihilation
4. Proton and Neutron
5. Atomic Nuclei
6. Stable Atom

আর আল্লাহ কুরআনে বলেন,
“তিনি নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল সৃষ্টি করেছেন ছয়টি খন্ডিত সময়ে, অতঃপর আরশের উপর সমাসীন হয়েছেন। তিনি জানেন যা ভূমিতে প্রবেশ করে ও যা ভূমি থেকে নির্গত হয় এবং যা আকাশ থেকে বর্ষিত হয় ও যা আকাশে উত্থিত হয়। তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন।” (কুরআন ৫৭;৪)

কুরআনে বিগ ব্যাং সম্পর্কে আরো বলা হয়েছে। আজ আর নয় ইনশাল্লাহ আবার অন্য দিন দেখা হবে। আমার জন্য সবাই দুআ কইরেন। যাযাকাল্লাহ।

Source: অপঠিত দৈনিকী http://udbd.blogspot.com/2014/04/blog-post_5654.html

Tags: বিজ্ঞান, নিদর্শন, বিগব্যাং, জ্যাতির্বিদ্যা