AyatGo

প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিস্টেম কিভাবে আমাদের শোষন করছে

Sura: 2, Ayat: 276

“প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিস্টেম কিভাবে আমাদের শোষন করছে”

বর্তমানে অঘষিত পুজিবাদী সমাজ ব্যাবস্তা সম্পদ কতিপয় অসাধু ব্যাক্তিদের হাতে দেশের সম্পদ পুঞ্জিভূত করে সমাজে চরম বিপর্যয় সৃষ্টি করছে। আল্লাহর দেওয়া অর্থনৈতক ব্যাবস্থা না মানার জন্যই আমাদের এই ছরম পরিনতি।
আসুন দেখি প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিষ্টেম কিভাবে আমাদের কৌশলে শোষন করছে।

ধরুন আপনি আমানত হিসেবে ব্যাংকে টাকা রাখলেন A টাকা। ব্যংক নির্দিষ্ট সময় পর আপনাকে A+3% টাকা দেবে।
আবার ব্যাংক থেকে একটি কম্পানির মালিক ঋন নিলো ৫০০০A টাকা যেখানে আপনার মতো ৫০০০ লোকের টাকা রয়েছে। বিনিময় ওই কম্পানি ব্যাংক কে সুদ দিচ্ছে ৬%
তাহলে ব্যাংকের লাভ ৬-৩=৩% আর নিশ্চই ব্যাংক ৬% সুদ দিয়ে কম্পক্ষে ১৫% লাভ করে।

কখনো কি চিন্তা করে দেখেছেন কি ভাবে কার কাছে থেকে এই লাভ করে? হ্যা ঠিক তাই আপনার মতো ৫০০০ লোকের টাকায় ব্যাবসা করে কোম্পানি গুলো আপনার কাছে থেকেই লাভ করতেছে + ব্যাংকে যে ৬% সুদ নিচ্ছে তাও কিন্তু নিচ্ছে আপনার কাছে থেকে।
আপনি তাহলে ন্যায্য মূল্য থেকে কম পাছেন কম্পক্ষে শুধু সুদ (ব্যাঙ্ক+কোম্পানির সুদ) থেকে ৬+৩-৩=৬%

যাই হোক এখনো পর্যন্ত কোনো সমস্যা নাই কারন যারা আপনাকে টাকার ব্যাবস্তা করে দিচ্ছে তারা পারিশ্রমিক স্বরূপ টাকা নিচ্ছে। সমস্যা টা তৈরি হয় তখন যখন কোম্পানি ব্যাবসায় লস খায়। কোম্পানির লস হলে ব্যাঙ্ক কে ঠিকি সুদ দিতে হুচ্ছে।
আর ব্যাংক ও আপনাকে সুদ দিচ্ছে। কোম্পানি গুলো এই পুরো লসের টাকা আবার লাভ ও সুদ সহ জনগনের থেকেই আদায় করছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। যার ফলাফল মুদ্রা স্ফিতি, আবার সরাসরি পন্যের দাম বাড়িয়ে।

এখন যদি এই অবস্তায় ইসলামিক ব্যাংকিং সিষ্টেম চালু থাকতো তবে কোম্পানির লস হলে ব্যাংক, কোম্পানি ও গ্রাহকের মাঝে লসের পরিমান ভাগ করে দেওয়া হতো। আর লাভ হলে লাভের পরিমান ভাগ করে দেওয়া হতো। ফলে সবাই লস এবং লাভের সমান ভাগিদার হতো ইসলামিক ব্যাঙ্কিং সিষ্টেমে।

আর প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিষ্টেমে কোম্পানি বা ব্যাংকের কোনো লস হয়না। তারা সর্বদাই লাভোবান হয়। লস যা হয় তা প্রত্যক্ষ ভাবে ১০০% বর্তায় জনগনের ঘাড়ে।

তাই একমাত্র ইসলামিক ব্যাংকিং সিষ্টেমি পারে অর্থনৈতিক সমতা আনতে। ইসলামিক ব্যাংকিং পারে কতিপয় লোকের হাতে অর্থ পুঞ্জিভূত হওয়া আটকাতে।

আল্লাহ বলেন, আল্লাহ ব্যাবসা কে হালাল ও সুদ কে হারাম করেছেন (বাকারা ২৭৫)
তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ তাঁর রসূল এবং মুমিনবৃন্দ-যারা নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং বিনম্র। (বাকারা ৫৫) অবশ্য তারা যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে আর যাকাত আদায় করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই। (আত-তওবা ১১)
যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লাহ তা"আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে। 2.Al-Baqarah-(আয়াত-275)

Source: অপঠিত দৈনিকী http://udbd.blogspot.com/2014/04/blog-post_1002.html

Tags: সুদ, ব্যাংক, ব্যাবসা, আইন, হারাম

প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিস্টেম কিভাবে আমাদের শোষন করছে

Sura: 4, Ayat: 161

“প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিস্টেম কিভাবে আমাদের শোষন করছে”

বর্তমানে অঘষিত পুজিবাদী সমাজ ব্যাবস্তা সম্পদ কতিপয় অসাধু ব্যাক্তিদের হাতে দেশের সম্পদ পুঞ্জিভূত করে সমাজে চরম বিপর্যয় সৃষ্টি করছে। আল্লাহর দেওয়া অর্থনৈতক ব্যাবস্থা না মানার জন্যই আমাদের এই ছরম পরিনতি।
আসুন দেখি প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিষ্টেম কিভাবে আমাদের কৌশলে শোষন করছে।

ধরুন আপনি আমানত হিসেবে ব্যাংকে টাকা রাখলেন A টাকা। ব্যংক নির্দিষ্ট সময় পর আপনাকে A+3% টাকা দেবে।
আবার ব্যাংক থেকে একটি কম্পানির মালিক ঋন নিলো ৫০০০A টাকা যেখানে আপনার মতো ৫০০০ লোকের টাকা রয়েছে। বিনিময় ওই কম্পানি ব্যাংক কে সুদ দিচ্ছে ৬%
তাহলে ব্যাংকের লাভ ৬-৩=৩% আর নিশ্চই ব্যাংক ৬% সুদ দিয়ে কম্পক্ষে ১৫% লাভ করে।

কখনো কি চিন্তা করে দেখেছেন কি ভাবে কার কাছে থেকে এই লাভ করে? হ্যা ঠিক তাই আপনার মতো ৫০০০ লোকের টাকায় ব্যাবসা করে কোম্পানি গুলো আপনার কাছে থেকেই লাভ করতেছে + ব্যাংকে যে ৬% সুদ নিচ্ছে তাও কিন্তু নিচ্ছে আপনার কাছে থেকে।
আপনি তাহলে ন্যায্য মূল্য থেকে কম পাছেন কম্পক্ষে শুধু সুদ (ব্যাঙ্ক+কোম্পানির সুদ) থেকে ৬+৩-৩=৬%

যাই হোক এখনো পর্যন্ত কোনো সমস্যা নাই কারন যারা আপনাকে টাকার ব্যাবস্তা করে দিচ্ছে তারা পারিশ্রমিক স্বরূপ টাকা নিচ্ছে। সমস্যা টা তৈরি হয় তখন যখন কোম্পানি ব্যাবসায় লস খায়। কোম্পানির লস হলে ব্যাঙ্ক কে ঠিকি সুদ দিতে হুচ্ছে।
আর ব্যাংক ও আপনাকে সুদ দিচ্ছে। কোম্পানি গুলো এই পুরো লসের টাকা আবার লাভ ও সুদ সহ জনগনের থেকেই আদায় করছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। যার ফলাফল মুদ্রা স্ফিতি, আবার সরাসরি পন্যের দাম বাড়িয়ে।

এখন যদি এই অবস্তায় ইসলামিক ব্যাংকিং সিষ্টেম চালু থাকতো তবে কোম্পানির লস হলে ব্যাংক, কোম্পানি ও গ্রাহকের মাঝে লসের পরিমান ভাগ করে দেওয়া হতো। আর লাভ হলে লাভের পরিমান ভাগ করে দেওয়া হতো। ফলে সবাই লস এবং লাভের সমান ভাগিদার হতো ইসলামিক ব্যাঙ্কিং সিষ্টেমে।

আর প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিষ্টেমে কোম্পানি বা ব্যাংকের কোনো লস হয়না। তারা সর্বদাই লাভোবান হয়। লস যা হয় তা প্রত্যক্ষ ভাবে ১০০% বর্তায় জনগনের ঘাড়ে।

তাই একমাত্র ইসলামিক ব্যাংকিং সিষ্টেমি পারে অর্থনৈতিক সমতা আনতে। ইসলামিক ব্যাংকিং পারে কতিপয় লোকের হাতে অর্থ পুঞ্জিভূত হওয়া আটকাতে।

আল্লাহ বলেন, আল্লাহ ব্যাবসা কে হালাল ও সুদ কে হারাম করেছেন (বাকারা ২৭৫)
তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ তাঁর রসূল এবং মুমিনবৃন্দ-যারা নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং বিনম্র। (বাকারা ৫৫) অবশ্য তারা যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে আর যাকাত আদায় করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই। (আত-তওবা ১১)
যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লাহ তা"আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে। 2.Al-Baqarah-(আয়াত-275)

Source: অপঠিত দৈনিকী http://udbd.blogspot.com/2014/04/blog-post_1002.html

Tags: সুদ, ব্যাংক, ব্যাবসা, আইন, হারাম

প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিস্টেম কিভাবে আমাদের শোষন করছে

Sura: 30, Ayat: 39

“প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিস্টেম কিভাবে আমাদের শোষন করছে”

বর্তমানে অঘষিত পুজিবাদী সমাজ ব্যাবস্তা সম্পদ কতিপয় অসাধু ব্যাক্তিদের হাতে দেশের সম্পদ পুঞ্জিভূত করে সমাজে চরম বিপর্যয় সৃষ্টি করছে। আল্লাহর দেওয়া অর্থনৈতক ব্যাবস্থা না মানার জন্যই আমাদের এই ছরম পরিনতি।
আসুন দেখি প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিষ্টেম কিভাবে আমাদের কৌশলে শোষন করছে।

ধরুন আপনি আমানত হিসেবে ব্যাংকে টাকা রাখলেন A টাকা। ব্যংক নির্দিষ্ট সময় পর আপনাকে A+3% টাকা দেবে।
আবার ব্যাংক থেকে একটি কম্পানির মালিক ঋন নিলো ৫০০০A টাকা যেখানে আপনার মতো ৫০০০ লোকের টাকা রয়েছে। বিনিময় ওই কম্পানি ব্যাংক কে সুদ দিচ্ছে ৬%
তাহলে ব্যাংকের লাভ ৬-৩=৩% আর নিশ্চই ব্যাংক ৬% সুদ দিয়ে কম্পক্ষে ১৫% লাভ করে।

কখনো কি চিন্তা করে দেখেছেন কি ভাবে কার কাছে থেকে এই লাভ করে? হ্যা ঠিক তাই আপনার মতো ৫০০০ লোকের টাকায় ব্যাবসা করে কোম্পানি গুলো আপনার কাছে থেকেই লাভ করতেছে + ব্যাংকে যে ৬% সুদ নিচ্ছে তাও কিন্তু নিচ্ছে আপনার কাছে থেকে।
আপনি তাহলে ন্যায্য মূল্য থেকে কম পাছেন কম্পক্ষে শুধু সুদ (ব্যাঙ্ক+কোম্পানির সুদ) থেকে ৬+৩-৩=৬%

যাই হোক এখনো পর্যন্ত কোনো সমস্যা নাই কারন যারা আপনাকে টাকার ব্যাবস্তা করে দিচ্ছে তারা পারিশ্রমিক স্বরূপ টাকা নিচ্ছে। সমস্যা টা তৈরি হয় তখন যখন কোম্পানি ব্যাবসায় লস খায়। কোম্পানির লস হলে ব্যাঙ্ক কে ঠিকি সুদ দিতে হুচ্ছে।
আর ব্যাংক ও আপনাকে সুদ দিচ্ছে। কোম্পানি গুলো এই পুরো লসের টাকা আবার লাভ ও সুদ সহ জনগনের থেকেই আদায় করছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। যার ফলাফল মুদ্রা স্ফিতি, আবার সরাসরি পন্যের দাম বাড়িয়ে।

এখন যদি এই অবস্তায় ইসলামিক ব্যাংকিং সিষ্টেম চালু থাকতো তবে কোম্পানির লস হলে ব্যাংক, কোম্পানি ও গ্রাহকের মাঝে লসের পরিমান ভাগ করে দেওয়া হতো। আর লাভ হলে লাভের পরিমান ভাগ করে দেওয়া হতো। ফলে সবাই লস এবং লাভের সমান ভাগিদার হতো ইসলামিক ব্যাঙ্কিং সিষ্টেমে।

আর প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিষ্টেমে কোম্পানি বা ব্যাংকের কোনো লস হয়না। তারা সর্বদাই লাভোবান হয়। লস যা হয় তা প্রত্যক্ষ ভাবে ১০০% বর্তায় জনগনের ঘাড়ে।

তাই একমাত্র ইসলামিক ব্যাংকিং সিষ্টেমি পারে অর্থনৈতিক সমতা আনতে। ইসলামিক ব্যাংকিং পারে কতিপয় লোকের হাতে অর্থ পুঞ্জিভূত হওয়া আটকাতে।

আল্লাহ বলেন, আল্লাহ ব্যাবসা কে হালাল ও সুদ কে হারাম করেছেন (বাকারা ২৭৫)
তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ তাঁর রসূল এবং মুমিনবৃন্দ-যারা নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং বিনম্র। (বাকারা ৫৫) অবশ্য তারা যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে আর যাকাত আদায় করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই। (আত-তওবা ১১)
যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লাহ তা"আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে। 2.Al-Baqarah-(আয়াত-275)

Source: অপঠিত দৈনিকী http://udbd.blogspot.com/2014/04/blog-post_1002.html

Tags: সুদ, ব্যাংক, ব্যাবসা, আইন, হারাম

হিন্দু ধর্ম বলে ঈশ্বর একজন

Sura: 112, Ayat: 1

হিন্দুরা যে গ্রন্থটি সবচেয়ে বেশি পড়ে তা হলো গীতা। তবে তাদের সবচেয়ে পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ হচ্ছে বেদ। কোন বিষয় নিয়ে যাদি কোন মতভেদ তৈরি হয় তবে হিন্দুরা বেদ কে প্রাধান্য দেয়। হিন্দুদের মধ্যে ঈশ্বর কত জন তা নিয়ে মত ভেদ আছে। কেউ বলে ৩, কেউ বলে ৩০ আবার কেউ বলে ৩৩ কোটি। আসুন দেখি হিন্দু ধর্মগুলো ঈশ্বরের সংখ্যা নিয়ে কি বলে ভগবত

গীতাঃ "সে তত্ত্বদর্শী মহাত্মা বা পরমাত্মাই সব কিছু" - এরূপ লোকে জানতে পারে না। কারন ভোগের কামনা দ্বারা তাদের মন অভিভূত হয়েছে। সেজন্য তারা স্বীয় প্রকৃতি অর্থাৎ জন্ম জন্মান্তরের অর্জিত সংস্কারের স্বভাবের দ্বারা প্রেরিত হয়ে "আমি পরমাত্মা" থেকে ভিন্ন অন্য দেবতাগনের এবং তাদের প্রচলিত নিয়ামের আশ্রয় নেয়। [Bhagavad Gita 7:20]

" Those whose intelligence has been stolen by material desires surrender unto demigods and follow the particular rules and regulations of worship according to their own natures." [Bhagavad Gita 7:20]

ঊপনিষাদঃ 1. "Ekam evadvitiyam" "He is One only without a second." "ঈশ্বর এক এবং অদ্বিতীয়।" [Chandogya Upanishad 6:2:1]

২. "Na tasya pratima asti" "There is no likeness of Him." " তার (গড) কোন প্রতিমা বা ছবি নেই" [Svetasvatara Upanishad 4:19]

বেদঃ 1. "na tasya pratima asti" "There is no image of Him." " তার (গড) কোন ছবি না প্রতিমা নেই" [Yajurveda 32:3]

২. "Andhatama pravishanti ye asambhuti mupaste" "They enter darkness, those who worship the natural elements" (Air, Water, Fire, etc.). "They sink deeper in darkness, those who worship sambhuti." >>"যারা প্রাকৃতিক বস্তুর (Asambhûti s বাতাস, পানি, আগুন ইত্যাদি) পূজা করে তারা অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে" [Yajurveda 40:9] The Brahma Sutra of Hinduism is: "Ekam Brahm, dvitiya naste neh na naste kinchan" "There is only one God, not the second; not at all, not at all, not in the least bit." >> ঈশ্বর এক এবং একজন, দ্বিতীয় কেউ নেই, আদৌ নেই, নূন্যতমও কেউ নেই" পরিষ্কার বুঝাই যাচ্ছে হিন্দু ধর্মগ্রন্থ মতে ঈশ্বর এক। তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে বেশির ভাগ হিন্দু কেন প্রতিমা পূজা করে?? যা কিনা তাদের গ্রন্থ অনুসারে মহাপাপ।

Source: সংগৃহীত http://udbd.blogspot.com/2014/04/god-is-one-part-2-3-4.html

Tags: হিন্দু ধর্ম, রাসূল, মুহাম্মাদ, রিসালাত

হিন্দু ধর্ম গ্রন্থে মুহাম্মাদ (সা:) এর আগমনের ভবিষ্যত বাণি

Sura: 33, Ayat: 40

হিন্দু ধর্ম গ্রন্থে মুহাম্মাদ (সা:) এর আগমনের ভবিষ্যত বাণি-- পর্ব ১

জেনে অবাক হবেন হিন্দু ধর্ম গ্রন্থে মুহাম্মাদ (সা:) এর নাম অনেক বার বলা হয়েছে। যা কোরআনের চেয়ে অনেক বেশি বার (যেখানে, কুরআনে মাত্র ৫ বার রাসুল (সা:) এর নাম বলা হয়েছে)

হিন্দু ধর্মে ভবিষ্যতবাণীকৃত ভগবানের দূত বা দেবতাদের মধ্যে কল্কি অবতার হলেন সবচেয়ে জনপ্রিয়। হিন্দু ধর্ম গ্রন্থ গুলোর মধ্যে ভগবৎ পূরাণ, কল্কি পূরাণ ও আরও অনান্য গ্রন্থ গুলিতে কল্কি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

"আসুন দেখি কে এই কল্কি অবতার" ----- #

ভবিষ্যবাণী১ ভাগবত পুরাণ; ১২ খন্ড; দ্বিতীয় অধ্যায়, ১৮-২০ শ্লোকে কল্কি সম্পর্কে বলা হয়েছে, “বিষ্ণুয়াস নামে একজন ঘরে যে মহৎ হৃদয়ের ব্রাহ্মন এবং সাম্বালা নামের একটি গ্রামের প্রধান, তাঁর ঘরে জন্মাবেন কল্কি। তাকে ইশ্বর দেবেন উতকৃষ্ট গুনাবলী আর ইশ্বর তাকে দেবেন আটটি অলৌকিক শক্তি। তিনি চড়বেন একটি সাদা ঘোড়ায় এবং তার ডান হাতে থাকবে তরবারি”। -------

এবার আসুন মুহাম্মাদ (সা:) এর সাথে এর মিল কতো টুকু। কল্কির বাবার নাম বিষ্ণুয়াস। বিষ্ণু কথার অর্থ ইশ্বর এবং ইয়াস কথার অর্থ দাস। অর্থাৎ ইশ্বরের দাস। বিষ্ণুয়াস কথাটি আরবিতে করলে হবে আব্দুল্লাহ। আর সবাই জানি যে রাসুল(সা) এর পিতার নাম আব্দুল্লাহ ছিল। কল্কির জন্ম সাম্বালা গ্রামে। সংস্কৃত ভাষায় সাম্বালা শব্দের অর্থ প্রশান্ত বা শান্তির জায়গা। মক্কায় রাসুল(সা) জন্মগ্রহন করেছিলেন, আর আমরা জানি মক্কাকে দারুল আমান বা শান্তির জায়গা বলা হয়। কল্কির বাবা গ্রামের প্রধান। আমরা হাদিস এবং ঐতিহাসিকদের কাছ হতে জানতে পারি যে রাসুল(সা) মক্কার প্রধান বংশের ঘরে জন্ম গ্রহন করেছিলেন। কল্কিকে ইশ্বর দেবেন উতকৃষ্ট গুনাবলী। মাইকেল এইচ হার্ট তাঁর বইয়ে বিশ্বের সৃষ্টির সময়কাল থেকে যত মহান মনীষির জন্ম হয়েছে তাঁদের মধ্যে শ্রেষ্ট ১০০ জনকে বাছতে গিয়ে মুহাম্মাদ(সা)কে প্রথম স্থানে রেখেছেন। নবীজী(সা) এতই উতকৃষ্ট গুনাবলীর অধিকারী ছিলেন যে আজও বিশ্বের ২০০ কোটিরও বেশি মানুষ তাঁর জীবন আদর্শ অনুসরণ করে চলেন। কল্কিকে ইশ্বর দেবেন অটটি অলৌকিক শক্তি। হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী এই আটটি শক্তি হল ১.জ্ঞান ২.সংযম ৩.জ্ঞান বিতরণ ৪.অভিজাত বংশ ৫.সাহসিকতা ৬.কম কথা বলা ৭.মহানুভতা ৮. পরোপকারিতা। এই আটটি গুনের সবগুলো হুবহু মুহাম্মাদ(সা) এর মধ্যে ছিল। যারা মুহাম্মাদ(সা) সম্পর্কে জানেন বা তাঁর জীবনি পড়েছেন তারা সহজেই ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন। কল্কি চরবেন একটি সাদা ঘোড়ায় এবং তাঁর ডান হাতে থাকবে তরবারি। আমরা জানি যে মুহাম্মাদ(সা) বোরাকে চড়েছিলেন, যখন তিনি মিরাজে গিয়েছিলেন। তাঁর ডান হাতে যুদ্ধের সময় তরবারি থাকত। তিনি বেশ কয়েকটি যুদ্ধ করেছিলেন। সবগুলো যুদ্ধই ছিল আত্মরক্ষার জন্য।

Source: (সংগৃহীত, সংযোজিত ও সম্পাদিত।) http://udbd.blogspot.com/2014/04/blog-post_8702.html

Tags: হিন্দু ধর্ম, রাসূল, মুহাম্মাদ, রিসালাত

প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিস্টেম কিভাবে আমাদের শোষন করছে

Sura: 2, Ayat: 275

“প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিস্টেম কিভাবে আমাদের শোষন করছে”

বর্তমানে অঘষিত পুজিবাদী সমাজ ব্যাবস্তা সম্পদ কতিপয় অসাধু ব্যাক্তিদের হাতে দেশের সম্পদ পুঞ্জিভূত করে সমাজে চরম বিপর্যয় সৃষ্টি করছে। আল্লাহর দেওয়া অর্থনৈতক ব্যাবস্থা না মানার জন্যই আমাদের এই ছরম পরিনতি।
আসুন দেখি প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিষ্টেম কিভাবে আমাদের কৌশলে শোষন করছে।

ধরুন আপনি আমানত হিসেবে ব্যাংকে টাকা রাখলেন A টাকা। ব্যংক নির্দিষ্ট সময় পর আপনাকে A+3% টাকা দেবে।
আবার ব্যাংক থেকে একটি কম্পানির মালিক ঋন নিলো ৫০০০A টাকা যেখানে আপনার মতো ৫০০০ লোকের টাকা রয়েছে। বিনিময় ওই কম্পানি ব্যাংক কে সুদ দিচ্ছে ৬%
তাহলে ব্যাংকের লাভ ৬-৩=৩% আর নিশ্চই ব্যাংক ৬% সুদ দিয়ে কম্পক্ষে ১৫% লাভ করে।

কখনো কি চিন্তা করে দেখেছেন কি ভাবে কার কাছে থেকে এই লাভ করে? হ্যা ঠিক তাই আপনার মতো ৫০০০ লোকের টাকায় ব্যাবসা করে কোম্পানি গুলো আপনার কাছে থেকেই লাভ করতেছে + ব্যাংকে যে ৬% সুদ নিচ্ছে তাও কিন্তু নিচ্ছে আপনার কাছে থেকে।
আপনি তাহলে ন্যায্য মূল্য থেকে কম পাছেন কম্পক্ষে শুধু সুদ (ব্যাঙ্ক+কোম্পানির সুদ) থেকে ৬+৩-৩=৬%

যাই হোক এখনো পর্যন্ত কোনো সমস্যা নাই কারন যারা আপনাকে টাকার ব্যাবস্তা করে দিচ্ছে তারা পারিশ্রমিক স্বরূপ টাকা নিচ্ছে। সমস্যা টা তৈরি হয় তখন যখন কোম্পানি ব্যাবসায় লস খায়। কোম্পানির লস হলে ব্যাঙ্ক কে ঠিকি সুদ দিতে হুচ্ছে।
আর ব্যাংক ও আপনাকে সুদ দিচ্ছে। কোম্পানি গুলো এই পুরো লসের টাকা আবার লাভ ও সুদ সহ জনগনের থেকেই আদায় করছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। যার ফলাফল মুদ্রা স্ফিতি, আবার সরাসরি পন্যের দাম বাড়িয়ে।

এখন যদি এই অবস্তায় ইসলামিক ব্যাংকিং সিষ্টেম চালু থাকতো তবে কোম্পানির লস হলে ব্যাংক, কোম্পানি ও গ্রাহকের মাঝে লসের পরিমান ভাগ করে দেওয়া হতো। আর লাভ হলে লাভের পরিমান ভাগ করে দেওয়া হতো। ফলে সবাই লস এবং লাভের সমান ভাগিদার হতো ইসলামিক ব্যাঙ্কিং সিষ্টেমে।

আর প্রচলিত ব্যাঙ্কিং সিষ্টেমে কোম্পানি বা ব্যাংকের কোনো লস হয়না। তারা সর্বদাই লাভোবান হয়। লস যা হয় তা প্রত্যক্ষ ভাবে ১০০% বর্তায় জনগনের ঘাড়ে।

তাই একমাত্র ইসলামিক ব্যাংকিং সিষ্টেমি পারে অর্থনৈতিক সমতা আনতে। ইসলামিক ব্যাংকিং পারে কতিপয় লোকের হাতে অর্থ পুঞ্জিভূত হওয়া আটকাতে।

আল্লাহ বলেন, আল্লাহ ব্যাবসা কে হালাল ও সুদ কে হারাম করেছেন (বাকারা ২৭৫)
তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ তাঁর রসূল এবং মুমিনবৃন্দ-যারা নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং বিনম্র। (বাকারা ৫৫) অবশ্য তারা যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে আর যাকাত আদায় করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই। (আত-তওবা ১১)
যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লাহ তা"আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে। 2.Al-Baqarah-(আয়াত-275)

Source: অপঠিত দৈনিকী http://udbd.blogspot.com/2014/04/blog-post_1002.html

Tags: সুদ, ব্যাংক, ব্যাবসা, আইন, হারাম