AyatGo

আল কলম (Al-Qalam)

Back

Surah No: 68

The Sacred Verses (Arabic)

Ayah 1: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ ن ۚ وَالْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ

Ayah 2: مَا أَنْتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ

Ayah 3: وَإِنَّ لَكَ لَأَجْرًا غَيْرَ مَمْنُونٍ

Ayah 4: وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍ

Ayah 5: فَسَتُبْصِرُ وَيُبْصِرُونَ

Ayah 6: بِأَيْيِكُمُ الْمَفْتُونُ

Ayah 7: إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنْ ضَلَّ عَنْ سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ

Ayah 8: فَلَا تُطِعِ الْمُكَذِّبِينَ

Ayah 9: وَدُّوا لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ

Ayah 10: وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَهِينٍ

Ayah 11: هَمَّازٍ مَشَّاءٍ بِنَمِيمٍ

Ayah 12: مَنَّاعٍ لِلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ

Ayah 13: عُتُلٍّ بَعْدَ ذَٰلِكَ زَنِيمٍ

Ayah 14: أَنْ كَانَ ذَا مَالٍ وَبَنِينَ

Ayah 15: إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ آيَاتُنَا قَالَ أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ

Ayah 16: سَنَسِمُهُ عَلَى الْخُرْطُومِ

Ayah 17: إِنَّا بَلَوْنَاهُمْ كَمَا بَلَوْنَا أَصْحَابَ الْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ

Ayah 18: وَلَا يَسْتَثْنُونَ

Ayah 19: فَطَافَ عَلَيْهَا طَائِفٌ مِنْ رَبِّكَ وَهُمْ نَائِمُونَ

Ayah 20: فَأَصْبَحَتْ كَالصَّرِيمِ

Ayah 21: فَتَنَادَوْا مُصْبِحِينَ

Ayah 22: أَنِ اغْدُوا عَلَىٰ حَرْثِكُمْ إِنْ كُنْتُمْ صَارِمِينَ

Ayah 23: فَانْطَلَقُوا وَهُمْ يَتَخَافَتُونَ

Ayah 24: أَنْ لَا يَدْخُلَنَّهَا الْيَوْمَ عَلَيْكُمْ مِسْكِينٌ

Ayah 25: وَغَدَوْا عَلَىٰ حَرْدٍ قَادِرِينَ

Ayah 26: فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوا إِنَّا لَضَالُّونَ

Ayah 27: بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ

Ayah 28: قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُلْ لَكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ

Ayah 29: قَالُوا سُبْحَانَ رَبِّنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ

Ayah 30: فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَلَاوَمُونَ

Ayah 31: قَالُوا يَا وَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا طَاغِينَ

Ayah 32: عَسَىٰ رَبُّنَا أَنْ يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِنْهَا إِنَّا إِلَىٰ رَبِّنَا رَاغِبُونَ

Ayah 33: كَذَٰلِكَ الْعَذَابُ ۖ وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَكْبَرُ ۚ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ

Ayah 34: إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِنْدَ رَبِّهِمْ جَنَّاتِ النَّعِيمِ

Ayah 35: أَفَنَجْعَلُ الْمُسْلِمِينَ كَالْمُجْرِمِينَ

Ayah 36: مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ

Ayah 37: أَمْ لَكُمْ كِتَابٌ فِيهِ تَدْرُسُونَ

Ayah 38: إِنَّ لَكُمْ فِيهِ لَمَا تَخَيَّرُونَ

Ayah 39: أَمْ لَكُمْ أَيْمَانٌ عَلَيْنَا بَالِغَةٌ إِلَىٰ يَوْمِ الْقِيَامَةِ ۙ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ

Ayah 40: سَلْهُمْ أَيُّهُمْ بِذَٰلِكَ زَعِيمٌ

Ayah 41: أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ فَلْيَأْتُوا بِشُرَكَائِهِمْ إِنْ كَانُوا صَادِقِينَ

Ayah 42: يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ

Ayah 43: خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ۖ وَقَدْ كَانُوا يُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ وَهُمْ سَالِمُونَ

Ayah 44: فَذَرْنِي وَمَنْ يُكَذِّبُ بِهَٰذَا الْحَدِيثِ ۖ سَنَسْتَدْرِجُهُمْ مِنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ

Ayah 45: وَأُمْلِي لَهُمْ ۚ إِنَّ كَيْدِي مَتِينٌ

Ayah 46: أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُمْ مِنْ مَغْرَمٍ مُثْقَلُونَ

Ayah 47: أَمْ عِنْدَهُمُ الْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ

Ayah 48: فَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُنْ كَصَاحِبِ الْحُوتِ إِذْ نَادَىٰ وَهُوَ مَكْظُومٌ

Ayah 49: لَوْلَا أَنْ تَدَارَكَهُ نِعْمَةٌ مِنْ رَبِّهِ لَنُبِذَ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ

Ayah 50: فَاجْتَبَاهُ رَبُّهُ فَجَعَلَهُ مِنَ الصَّالِحِينَ

Ayah 51: وَإِنْ يَكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ

Ayah 52: وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِلْعَالَمِينَ

Bengali Insight (bn_bengali)

Ayat 1: নূন। শপথ কলমের এবং সেই বিষয়ের যা তারা লিপিবদ্ধ করে,

Ayat 2: আপনার পালনকর্তার অনুগ্রহে আপনি উম্মাদ নন।

Ayat 3: আপনার জন্যে অবশ্যই রয়েছে অশেষ পুরস্কার।

Ayat 4: আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।

Ayat 5: সত্ত্বরই আপনি দেখে নিবেন এবং তারাও দেখে নিবে।

Ayat 6: কে তোমাদের মধ্যে বিকারগ্রস্ত।

Ayat 7: আপনার পালনকর্তা সম্যক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি জানেন যারা সৎপথ প্রাপ্ত।

Ayat 8: অতএব, আপনি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করবেন না।

Ayat 9: তারা চায় যদি আপনি নমনীয় হন, তবে তারাও নমনীয় হবে।

Ayat 10: যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।

Ayat 11: যে পশ্চাতে নিন্দা করে একের কথা অপরের নিকট লাগিয়ে ফিরে।

Ayat 12: যে ভাল কাজে বাধা দেয়, সে সীমালংঘন করে, সে পাপিষ্ঠ,

Ayat 13: কঠোর স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত;

Ayat 14: এ কারণে যে, সে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততির অধিকারী।

Ayat 15: তার কাছে আমার আয়াত পাঠ করা হলে সে বলে; সেকালের উপকথা।

Ayat 16: আমি তার নাসিকা দাগিয়ে দিব।

Ayat 17: আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছি উদ্যানওয়ালাদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে, সকালে বাগানের ফল আহরণ করবে,

Ayat 18: ইনশাআল্লাহ না বলে।

Ayat 19: অতঃপর আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পতিত হলো। যখন তারা নিদ্রিত ছিল।

Ayat 20: ফলে সকাল পর্যন্ত হয়ে গেল ছিন্নবিচ্ছিন্ন তৃণসম।

Ayat 21: সকালে তারা একে অপরকে ডেকে বলল,

Ayat 22: তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও, তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল।

Ayat 23: অতঃপর তারা চলল ফিসফিস করে কথা বলতে বলতে,

Ayat 24: অদ্য যেন কোন মিসকীন ব্যক্তি তোমাদের কাছে বাগানে প্রবেশ করতে না পারে।

Ayat 25: তারা সকালে লাফিয়ে লাফিয়ে সজোরে রওয়ানা হল।

Ayat 26: অতঃপর যখন তারা বাগান দেখল, তখন বললঃ আমরা তো পথ ভূলে গেছি।

Ayat 27: বরং আমরা তো কপালপোড়া,

Ayat 28: তাদের উত্তম ব্যক্তি বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলিনি? এখনও তোমরা আল্লাহ তা’আলার পবিত্রতা বর্ণনা করছো না কেন?

Ayat 29: তারা বললঃ আমরা আমাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, নিশ্চিতই আমরা সীমালংঘনকারী ছিলাম।

Ayat 30: অতঃপর তারা একে অপরকে ভৎর্সনা করতে লাগল।

Ayat 31: তারা বললঃ হায়! দুর্ভোগ আমাদের আমরা ছিলাম সীমাতিক্রমকারী।

Ayat 32: সম্ভবতঃ আমাদের পালনকর্তা পরিবর্তে এর চাইতে উত্তম বাগান আমাদেরকে দিবেন। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে আশাবাদী।

Ayat 33: শাস্তি এভাবেই আসে এবং পরকালের শাস্তি আরও গুরুতর; যদি তারা জানত!

Ayat 34: মোত্তাকীদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে নেয়ামতের জান্নাত।

Ayat 35: আমি কি আজ্ঞাবহদেরকে অপরাধীদের ন্যায় গণ্য করব?

Ayat 36: তোমাদের কি হল ? তোমরা কেমন সিদ্ধান্ত দিচ্ছ?

Ayat 37: তোমাদের কি কোন কিতাব আছে, যা তোমরা পাঠ কর।

Ayat 38: তাতে তোমরা যা পছন্দ কর, তাই পাও?

Ayat 39: না তোমরা আমার কাছ থেকেকেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন শপথ নিয়েছ যে, তোমরা তাই পাবে যা তোমরা সিদ্ধান্ত করবে?

Ayat 40: আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন তাদের কে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল?

Ayat 41: না তাদের কোন শরীক উপাস্য আছে? থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।

Ayat 42: গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না।

Ayat 43: তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত।

Ayat 44: অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে পারবে না।

Ayat 45: আমি তাদেরকে সময় দেই। নিশ্চয় আমার কৌশল মজবুত।

Ayat 46: আপনি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান? ফলে তাদের উপর জরিমানার বোঝা পড়ছে?

Ayat 47: না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে? অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে।

Ayat 48: আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের অপেক্ষায় সবর করুন এবং মাছওয়ালা ইউনুসের মত হবেন না, যখন সে দুঃখাকুল মনে প্রার্থনা করেছিল।

Ayat 49: যদি তার পালনকর্তার অনুগ্রহ তাকে সামাল না দিত, তবে সে নিন্দিত অবস্থায় জনশুন্য প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।

Ayat 50: অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন।

Ayat 51: কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।

Ayat 52: অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।

Bengali Perspective (bn_hoque)

Ayat 1: নূন! ভাবো কলম ও যা তারা লেখে।

Ayat 2: তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি কিন্তু পাগল নও।

Ayat 3: আর তোমার জন্য নিশ্চয়ই রয়েছে এমন এক প্রতিদান যা শেষ হবার নয়।

Ayat 4: আর নিঃসন্দেহ তুমি সুমহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।

Ayat 5: ফলে তুমি শীঘ্রই দেখবে এবং তারাও দেখতে পাবে --

Ayat 6: যে তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত।

Ayat 7: নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু, তিনি ভাল জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, আর তিনি ভাল জানেন সৎপথপ্রাপ্তদের ।

Ayat 8: অতএব মিথ্যাচারীদের আজ্ঞাপালন করো না।

Ayat 9: তারা চায় যে তুমি যদি নমনীয় হও তাহলে তারাও নমনীয় হবে।

Ayat 10: আর আজ্ঞাপালন করো না প্রত্যেকটি হলফকারীর, লাঞ্ছিতজনের, --

Ayat 11: পরনিন্দাকারীর, কলঙ্ক রটাতে ঘুরে-বেড়ানো লোকের, --

Ayat 12: ভালোকাজে নিষেধকারীর, সীমালংঘনকারীর পাপাচারীর, --

Ayat 13: ষন্ডা-গুন্ডার, তদুপরি অসচ্চরিত্রের, --

Ayat 14: এইজন্য যে সে ধনসম্পদের এবং সন্তানসন্ততির অধিকারী।

Ayat 15: যখন তার কাছে আমাদের বাণীসমূহ পাঠ করা হয় সে বলে -- ''সেকেলে কল্পকাহিনী!’’

Ayat 16: আমরা শীঘ্রই তার উঁচু নাকে দাগ করে দেব।

Ayat 17: আমরা নিশ্চয়ই তাদের পরীক্ষা করব যেমন আমরা পরীক্ষা করেছিলাম বাগান-মালিকদের, যখন ওরা কসম খেয়েছিল যে তারা নিশ্চয় ভোরবেলা এর ফসল কাটবে, --

Ayat 18: আর তারা কোনো সংরক্ষণ করে নি।

Ayat 19: ফলে তোমার প্রভুর কাছ থেকে এক দুর্বিপাক এর উপরে আপতিত হয়েছিল যখন তারা ঘুমিয়ে পড়েছিল।

Ayat 20: কাজেই সকালবেলায় তা হয়ে গেল এক কালো নিষ্ফলা জমির মতো।

Ayat 21: তারা কিন্তু সাত-সকালে একে অপরকে ডাকাডাকি করলে --

Ayat 22: এই বলে -- ''সকাল সকাল তোমাদের খেত-খামারে যাও যদি তোমরা ফসল কাটতে চাও।’’

Ayat 23: তখন তারা বেরিয়ে পড়ল, আর তারা ফিসফিস করতে থাকল --

Ayat 24: এই বলে -- ''আজ যেন তোমাদের বিরুদ্ধে কোনো হাভাতে সেখানে ঢুকে না পড়ে।’’

Ayat 25: আর তারা সকাল সকাল সংকল্পে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে যাত্রা করল।

Ayat 26: কিন্তু যখন তারা তা দেখল তারা বললে -- ''নিশ্চয় আমরা পথ ভুল করেছি।’’

Ayat 27: ''না, আমরা বঞ্চিত হয়েছি।’’

Ayat 28: ওদের মধ্যের শ্রেষ্ঠজন বললে -- ''আমি কি তোমাদের বলি নি, কেন তোমরা জপতপ করছ না?’’

Ayat 29: তারা বললে -- ''আমাদের প্রভুর মহিমা ঘোষিত হোক, আমরা নিশ্চয় কিছুটা ফসল দান করতে অন্যায় করেছি।’’

Ayat 30: তারপর তাদের কেউ-কেউ অন্যের কাছে গেল নিজেদের দোষারোপ করতে করতে।

Ayat 31: তারা বললে -- ''হায়, ধিক্ আমাদের! আমরা নিশ্চয়ই সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিলাম।

Ayat 32: ''হতে পারে আমাদের প্রভু আমাদের জন্য এর চেয়েও ভাল কিছু বদলে দেবেন, নিশ্চয় আমাদের প্রভুর কাছেই আমরা সানুনয় প্রার্থনা করছি।’’

Ayat 33: এমনটাই শাস্তি হয়ে থাকে। আর পরকালের শাস্তি তো আরো বিরাট, -- যদি তারা জানতো!

Ayat 34: নিঃসন্দেহ ধর্মভীরুদের জন্য তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে আনন্দময় উদ্যান-সমূহ।

Ayat 35: কী, আমরা কি তবে মুসলিমদের বানাব অপরাধীদের মতো?

Ayat 36: কি হয়েছে তোমাদের? কিভাবে তোমরা বিচার কর?

Ayat 37: না কি তোমাদের জন্য কোনো গ্রন্থ রয়েছে যা তোমরা অধ্যয়ন কর --

Ayat 38: যে, নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য তাতে তাই রয়েছে যা তোমরা পছন্দ কর?

Ayat 39: অথবা, তোমাদের জন্য আমাদের উপরে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকা এমন কোনো অংগীকার রয়েছে কি যে তোমাদের জন্য আলবৎ তাই থাকবে যা তোমরা স্থির করবে?

Ayat 40: তাদের জিজ্ঞাসা করো -- তাদের মধ্যে কে এ-সন্বন্ধে জামিন হবে;

Ayat 41: না তাদের জন্য অংশী-দেবতারা আছে? তেমন হলে তাদের অংশী-দেবতাদের তারা নিয়ে আসুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।

Ayat 42: একদিন চরম সংকট দেখা দেবে, আর তাদের ডাকা হবে সিজদা করতে, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।

Ayat 43: তাদের দৃষ্টি হবে অবনত, লাঞ্ছনা তাদের জড়িয়ে ফেলবে। অথচ তাদের আহ্বান করা হয়েই থাকত সিজদা করতে যখন তারা ছিল নিরাপদ।

Ayat 44: অতএব আমাকে এবং যে এই বাণী প্রত্যাখ্যান করে তাকে ছেড়ে দাও। আমরা তাদের ধাপে ধাপে নিয়ে যাব, কেমন করে তা তারা বুঝতেও পারবে না।

Ayat 45: তথাপি আমি ওদের সহ্য করি। আমার ফাঁদ নিশ্চয়ই বড় মজবুত।

Ayat 46: অথবা তুমি কি তাদের থেকে কোনো পারিশ্রমিক চাইছ যার ফলে তারা ধারকর্জ করে ভারাক্রান্ত হয়ে গেছে?

Ayat 47: অথবা অদৃশ্য কি তাদের কাছে রয়েছে, যার ফলে তারা লিখে রাখে?

Ayat 48: অতএব তোমার প্রভুর হুকুমের জন্য অধ্যবসায় চালিয়ে যাও, এবং তুমি মাছের সঙ্গীর মতো হয়ো না। দেখো! তিনি বিষাদে কাতর হয়ে ডেকেছিলেন।

Ayat 49: যদি তাঁর প্রভুর কাছ থেকে অনুগ্রহ তাঁর কাছে না পৌঁছুত তাহলে তিনি অবশ্যই উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হতেন, আর তিনি হতেন নিন্দিত।

Ayat 50: কিন্তু তাঁর প্রভু তাঁকে মনোনীত করেছিলেন, ফলে তাঁকে সৎপথাবলন্বীদের অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।

Ayat 51: আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করেছে তারা যখন স্মারক-গ্রন্থ শোনে তখন তারা যেন তাদের চোখ দিয়ে তোমাকে আছড়ে মারবে, আর তারা বলে -- ''সে তো নিশ্চয়ই এক পাগল।’’

Ayat 52: আর এটি জগদ্বাসীর জন্য স্মারক-গ্রন্থ বৈ তো নয়।

English Illumination (Yusuf Ali)

Ayat 1: Nun. By the Pen and the (Record) which (men) write,-

Ayat 2: Thou art not, by the Grace of thy Lord, mad or possessed.

Ayat 3: Nay, verily for thee is a Reward unfailing:

Ayat 4: And thou (standest) on an exalted standard of character.

Ayat 5: Soon wilt thou see, and they will see,

Ayat 6: Which of you is afflicted with madness.

Ayat 7: Verily it is thy Lord that knoweth best, which (among men) hath strayed from His Path: and He knoweth best those who receive (true) Guidance.

Ayat 8: So hearken not to those who deny (the Truth).

Ayat 9: Their desire is that thou shouldst be pliant: so would they be pliant.

Ayat 10: Heed not the type of despicable men,- ready with oaths,

Ayat 11: A slanderer, going about with calumnies,

Ayat 12: (Habitually) hindering (all) good, transgressing beyond bounds, deep in sin,

Ayat 13: Violent (and cruel),- with all that, base-born,-

Ayat 14: Because he possesses wealth and (numerous) sons.

Ayat 15: When to him are rehearsed Our Signs, "Tales of the ancients", he cries!

Ayat 16: Soon shall We brand (the beast) on the snout!

Ayat 17: Verily We have tried them as We tried the People of the Garden, when they resolved to gather the fruits of the (garden) in the morning.

Ayat 18: But made no reservation, ("If it be Allah's Will").

Ayat 19: Then there came on the (garden) a visitation from thy Lord, (which swept away) all around, while they were asleep.

Ayat 20: So the (garden) became, by the morning, like a dark and desolate spot, (whose fruit had been gathered).

Ayat 21: As the morning broke, they called out, one to another,-

Ayat 22: "Go ye to your tilth (betimes) in the morning, if ye would gather the fruits."

Ayat 23: So they departed, conversing in secret low tones, (saying)-

Ayat 24: "Let not a single indigent person break in upon you into the (garden) this day."

Ayat 25: And they opened the morning, strong in an (unjust) resolve.

Ayat 26: But when they saw the (garden), they said: "We have surely lost our way:

Ayat 27: "Indeed we are shut out (of the fruits of our labour)!"

Ayat 28: Said one of them, more just (than the rest): "Did I not say to you, 'Why not glorify (Allah)?'"

Ayat 29: They said: "Glory to our Lord! Verily we have been doing wrong!"

Ayat 30: Then they turned, one against another, in reproach.

Ayat 31: They said: "Alas for us! We have indeed transgressed!

Ayat 32: "It may be that our Lord will give us in exchange a better (garden) than this: for we do turn to Him (in repentance)!"

Ayat 33: Such is the Punishment (in this life); but greater is the Punishment in the Hereafter,- if only they knew!

Ayat 34: Verily, for the Righteous, are Gardens of Delight, in the Presence of their Lord.

Ayat 35: Shall We then treat the People of Faith like the People of Sin?

Ayat 36: What is the matter with you? How judge ye?

Ayat 37: Or have ye a book through which ye learn-

Ayat 38: That ye shall have, through it whatever ye choose?

Ayat 39: Or have ye Covenants with Us to oath, reaching to the Day of Judgment, (providing) that ye shall have whatever ye shall demand?

Ayat 40: Ask thou of them, which of them will stand surety for that!

Ayat 41: Or have they some "Partners" (in Allahhead)? Then let them produce their "partners", if they are truthful!

Ayat 42: The Day that the shin shall be laid bare, and they shall be summoned to bow in adoration, but they shall not be able,-

Ayat 43: Their eyes will be cast down,- ignominy will cover them; seeing that they had been summoned aforetime to bow in adoration, while they were whole, (and had refused).

Ayat 44: Then leave Me alone with such as reject this Message: by degrees shall We punish them from directions they perceive not.

Ayat 45: A (long) respite will I grant them: truly powerful is My Plan.

Ayat 46: Or is it that thou dost ask them for a reward, so that they are burdened with a load of debt?-

Ayat 47: Or that the Unseen is in their hands, so that they can write it down?

Ayat 48: So wait with patience for the Command of thy Lord, and be not like the Companion of the Fish,- when he cried out in agony.

Ayat 49: Had not Grace from his Lord reached him, he would indeed have been cast off on the naked shore, in disgrace.

Ayat 50: Thus did his Lord choose him and make him of the Company of the Righteous.

Ayat 51: And the Unbelievers would almost trip thee up with their eyes when they hear the Message; and they say: "Surely he is possessed!"

Ayat 52: But it is nothing less than a Message to all the worlds.